রেহমান সোবহান- দেবপ্রিয়দের সিপিডি (CPD) একটা ভারতীয় স্বার্থের প্রতিষ্ঠান

রেহমান সোবহান- দেবপ্রিয়দের সিপিডি (CPD) একটা ভারতীয় স্বার্থের প্রতিষ্ঠান
গৌতম দাস
১৬ অক্টোবর ২০২৪
https://wp.me/p1sCvy-5MI

রেহমান সোবহান- দেবপ্রিয়দের সিপিডি (CPD) একটা ভারতীয় স্বার্থের প্রতিষ্ঠান
আর ইউনুস তাদেরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশ এর দায়িত্ব দিয়েছে।
রেহমান সোবহান- দেবপ্রিয়দের সিপিডি এর এখন উচিত হবে ২০০৪ সাল থেকে বিগত ২০ বছর যত ভারতীয় দালালি এরা নিজেরা করে গেছে এরই শ্বেতপত্র প্রকাশ করা।
বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারতকে করিডোর দিবার পক্ষে ওকালতি করা, বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বানানোর গল্প ছড়ানো আর যারা তাদের বিরোধিতা করছে তাদেরকে -মুর্খ- বলেছিলেন এই রেহমান সোবহান। আসলে করিডোরের পক্ষে ওকালতির দালালি এটাই CPD এর প্রথম দালালির কাজ যোগাড় ছিল।
CPD এই দোকানটা ছিল ফাইন্যান্সিয়ালি একটা অচল প্রজেক্ট। গত ১৬ বছর এটা চলেছে (মানে নিজ কর্মচারিদের বেতন দিয়েছে) র-এর দালালির পয়সা ভিক্ষা করে এনে।
এটা এত নিম্ন শ্রেণীর দালালি যে শেষের দিকে রেহমান সোবহান- দেবপ্রিয়রা হিন্দু সেজে রানা দাসগুপ্তের ঐক্য পরিষদের (মানে মূলত কংগ্রেসি হিন্দু হলেও এখন বাংলাদেশে মোদির হিন্দু সংগঠনের আর যা নিয়ে গোবিন্দ প্রামাণিকের সাথে বিরোধ) ঘরোয়া সভার প্রধান অতিথি হয়েছে অবলীলা বেপরোয়ায়।

অনেকে বলেন ইউনুস নাকি প্রো-আমেরিকান! অথচ তিনিই এইবার সেই ভারতীয় CPD কে “শ্বেতপত্র” প্রকাশ এর কাজ দিচ্ছেন।প্রথম আলোর রিপোর্টঃ

অর্থনৈতিক অবস্থার ‘শ্বেতপত্র’ প্রকাশ করা হবে, কমিটির নেতৃত্বে দেবপ্রিয়

মানে যারা কমপক্ষে ১৬ বছর হাসিনা ও র-এর দালালি করে গেল তারাই এখন নাকি হাসিনার অর্থনীতি লুটের শ্বেতপত্র প্রকাশের কাজ করবে!

তামাশা কি জিনিষ ও কত প্রকার?

Faruk Sobhan

ভারতের এক এনজিও এজেন্ট শ্রীরাধা দত্ত; তিনি এবছর থেকে এজেন্টশীপ বদলেছেন। পাঠক এতে বিভ্রান্ত হয়েন না। রাধা আগে ছিলেন RSS এর মালিকানাধীন (অজিত দোভাল যার প্রধান কর্তা) থিঙ্কট্যাঙ্ক “বিবেকানন্দ ফাউন্ডেশন” এর ফেলো। মানে রাধা ছিলেন ওর মাঠকর্তা চাকুরে।
এই শ্রীরাধা প্রতিবছর কয়েকবার ঢাকায় আসতেন, আর এলে প্রায় সারাদিন CPD তেই কাটাতেন। বাংলাদেশের হিন্দু নেতা-সাংবাদিকেরা বলত শ্রীরাধাই ছিলেন মোদির কাছে বাংলাদেশের হিন্দু নেতাদের পৌছানোর টেলিফোন অপারেটর। মানে রাধাকে ফোনে বলে দিতে পারলে সেটা মোদির কানে পৌছাতো! ইসকনের কী নেটওয়ার্ক!
তবে পাঠকের জেনে রাখা ভাল শ্রীরাধা এখন চাকরি বা আনুগত্য বদলিয়েছে। তিনি এখন আর “বিবেকানন্দ ফাউন্ডেশন” এর কেউ নন। গত দু-এক বছরে তিনি সিঙ্গাপুর ইউনি এর আমেরিকান থিঙ্কট্যাংকের যে দোকান আছে [আরেক প্রো-আমেরিকান ইন্ডিয়ান C. Raja Mohan যার প্রধান কর্তা] তার ফেলো এখন শ্রীরাধা দত্ত। তাই বাতচিত আগের চেয়ে সময়ে ভিন্ন!
শেষে একটু সংযোজন করে দেই। শ্রীরাধা এখন চাকরি বদলাইছেন বলে আলী রিয়াজের সাথে শ্রীরাধার ঘনিষ্ঠতা একসাথে সেমিনার করা বেড়েছে। সব রসুনের কোয়া এক জায়গায়?
পাঠক who is who বুঝে নেন!
নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক সঙ্কুচিত হবে ওয়েবিনারে রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কব
DAILYNAYADIGANTA.COM
নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক সঙ্কুচিত হবে ওয়েবিনারে রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কব

নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক সঙ্কুচিত হবে ওয়েবিনারে রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কব

CPD এর অসততার নমুনাঃ
২০১১ সালের রেহমান সোবহান-দেবপ্রিয়দের ভারতকে করিডোর দেওয়ার পক্ষে দালালির রিপোর্ট ছাপা হয়েছিল
ttp://www.banglanews24.com/national/news/bd/28499.details
এদুই লিঙ্কে। তা এখন আমি খুজে পাচ্ছি না
কিন্তু এখন দেখেন ডেলিস্টারের এই নিউজে
অসততাতেও সিপিডি চ্যাম্পিয়ান

Faruk Sobhan

আর এটা ছিল অরিজিনাল খবরটাঃ

ট্রানজিট বিরোধিতাকে ‘অশিক্ষিতদের বিতর্ক’ বললেন রেহমান সোবহান
| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ট্রানজিট বিরোধিতাকে ‘অশিক্ষিতদের বিতর্ক’ বললেন রেহমান সোবহান
| বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
আপডেট: ২০১১-০২-০৫ ৭:৩৩:১২ পিএম
ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার বিরোধিতাকারীদের কড়া সমালোচনা করলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ’র (সিপিডি)চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান।
চট্টগ্রাম : ভারতকে ট্রানজিট দেয়ার বিরোধিতাকারীদের কড়া সমালোচনা করলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ’র (সিপিডি)চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান।
ট্রানজিট বিরোধিতাকে ‘অশিতিদের বিতর্ক’ বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সীমানা ধরে পণ্য পরিবহন খুবই স্বাভাবিক বিষয়। অথচ বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যেখানে ট্রানজিট দেয়া নিয়ে বিতর্কের ইস্যু করা হয়েছে।’ শনিবার চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেহমান সোবহান এ কথা বলেন।
রেহমান সোবহান বলেন, ‘ট্রানজিট চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ দণি-পুর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে। উত্তর-পুর্ব ভারতের বিশাল ক্যাপিটাল মার্কেট বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে আসবে। এছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যান্য দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে।’
সম্মেলন উদ্বোধন করেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা হান্নানা বেগম। আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন অর্থনীতি সমিতি চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান এবং সাধারন সম্পাদক ড.তৌফিক আহমেদ চৌধুরী। বক্তারা বলেন, বিশ্বে আঞ্চলিক সহযোগিতা বেড়েছে। এটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের অন্যতম দুইটি প্রধান সমুদ্রবন্দরের যে সম্ভাবনা আছে তাকে কাজে লাগানো গেলে তা দণি এশিয়ার উন্নয়নে ভুমিকা রাখতে পারবে।
সেমিনারে অংশ নেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম ও ড. ইরশাদ কামাল খান, চবি কলা অনুষদের ডিন ড.জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান, প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ, অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. আলী আশরাফ প্রমুখ।
বাংলাদেশ সময় : ১৯১৮ ঘন্টা, ফেব্রৃয়ারি ০৫, ২০১১
সিপিডি আর শ্রীরাধা দত্তের যৌথ ততপরতার কিছু নমুনাঃ
বিবিসি ও শ্রীরাধা দত্ত
গৌতম দাস
৩০ মে ২০২৩

[এই লেখাটা আমারই ফেসবুক [যেটা ফারুক সোবহান Faruk Sobhan এই নামে চলে] সেখানে আমার স্টাটাস হিসাবে দিয়েছিলাম গত ২২ আগষ্ট ২০২৪ – সেটাই এখানে স্থায়ী ভাবে রাখার জন্য তুলে আনা হল আজ ১৬ অক্টোবর ২০২৪।]

লেখকঃ
গৌতম দাস, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
goutamdas1958@hotmail.com

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *